নকলায় বিপুল পরিমাণ ‘তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন তরল’ উদ্ধার

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০১৭, ২০:৫৫
 
নকলার চন্দ্রকোনা বাজার থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বিপুল পরিমাণ ‘তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক তরল পদার্থ’ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই তরল পদার্থ সর্ম্পকে বলা যাবে বলে পুলিশে জানিয়েছে।  
 
জানা যায়, চন্দ্রকোনা বাজারের কলাহাটিতে ‘তানিসা গার্মেন্টস অ্যান্ড সুজ’নামে একটি দোকানের তালা ভেঙ্গে ৫টি ৩০ লিটারের সবুজ রঙের এবং ২৫ লিটারের ৭টি এবং ৬টি কালো রঙের কন্টেইনার ভর্তি তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক তরল পদার্থ উদ্ধার করে পুলিশ।
 
তাছাড়া খালি আরো ৫টি কন্টেইনার, গ্লাভস, সিরিঞ্জ, সিম ছাড়া খালি ৮টি সিমস্লট ও পেকেটসহ বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।  
 
পুলিশের ধারণা, এসব কন্টেইনারে প্রায় ৫০০ লিটার তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন তরল পদার্থ রয়েছে। যা দুর্গাপূজায় জেলার কয়েকটি মন্দিরে নাশকতার উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। তবে কি ধরণের তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন পদার্থ থাকতে পারে তা তারা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।
 
পুলিশ সুপার রফিকুল হাসান গণি জানান, ঢাকা থেকে আগত বিস্ফোরক গবেষকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিশ্চিত করে বলতে পারবেন যে ওইসব কন্টেইনারে কি ধরণের পদার্থ রয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তথ্যের আলোকে তার নেতৃত্বেই অভিযান পরিচালিত এবং ওইসব পদার্থ উদ্ধার করা হয়।
 
এ ঘটনায় দোকান মালিক মৃত ছাইদুল ইসলাম বিপুলের স্ত্রী মিনারা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চন্দ্রকোনা তদন্ত কেন্দ্রে নেয় পুলিশ। মিনারা জানান, তিনি আটমাস আগে চরমধুয়া গ্রামের ফয়েজের কাছে দোকান ঘরটি প্রতিমাসে ৬০০ টাকায় ভাড়া দেন। ব্যবসায় লোকসান দেখে হুজুরীকান্দা গ্রামের কাশেম মেডিকেল হলের মালিক আবুল কাশেমের কাছে ঘরটি ভাড়া দিয়ে দেন ফয়েজ।
 
ইত্তেফাক/ আরকেজি