সাঁওতাল পল্লীতে হামলা মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, ৪ পুলিশ আহত

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৭, ০৮:৫৪

গাইবান্ধার সাঁওতাল পল্লীতে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ইউপি সদস্য শাহ আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ইনভেষ্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই)।

গ্রেফতারের ঘটনার সময় শাহ আলমকে ছিনিয়ে নিতে তার অনুসারীরা হামলা  চালায়। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

রবিবার রাত ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শাহ আলম সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। তিনি সাঁওতাল পল্লীতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলার অভিযুক্ত আসামি।

আহতরা হলেন, এসআই মোজাম্মেল হক, এসআই প্রভাত, এএসআই শাহ জালাল ও কনষ্টেবল বজলুর রহমান। আহতদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে এএসআই শাহ জালালের অবস্থা গুরুতর।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাতে পিবিআইয়ের একটি দল সাহেবগঞ্জ বাজারে অভিযান চালিয়ে শাহ আলমকে গ্রেফতার করে। এ সময় শাহ আলমের অনুসারীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় পিবিআইয়ের চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে।

পুলিশ ইনভেষ্টিগেশন অব ব্যুরো (পিবিআই) গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাঁওতাল পল্লীতে হামলার ঘটনায় শাহ আলম আসামি। এছাড়া শাহ আলম একজন জ্বীনের বাদশার সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গোপন খবরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আহত চার পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। গ্রেফতার শাহ আলমকে গোবিন্দগঞ্জ থানা হাজতে রাখা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলায় ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, গেল বছরের ৬ নভেম্বর সাঁওতাল পল্লীতে হামলার ঘটনায় সাঁওতালদের পক্ষে থমাস হেমব্রন বাদি হয়ে ৩৩ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৫০০-৬০০ জনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

ইত্তেফাক/নূহু