বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা পনের কোটি নিরানব্বই লাখ এর মধ্যে শ্রমশক্তি সাত কোটি নিরানব্বই লাখ। আইএলও-এর তথ্য মতে, শ্রমশক্তি বছরে ২.২ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবছর নতুন ১৭ লাখ শ্রমশক্তি বাজারে প্রবেশ করছে। এর মধ্যে সরকার কর্তৃক দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বছরে ১২ লাখ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো আন্ত ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে পারছে না। যোগ্য জনবলের অভাবে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানেও নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এতে দক্ষতা উন্নয়নমূলক ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয়হীনতা রয়েছে।
ফলে ৪.৩ বেকারত্ব ৯.২ যুব বেকারত্ব ও ১৮.৭ আংশিক বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। উল্লেখ্য, অনেক নাগরিক কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই কাজের মাধ্যমে এবং জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেন। তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া এবং পরবর্তী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের আরো সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতির জন্য একটি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০১১ সালে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) প্রবাসি শ্রমিকদের এ ব্যবস্থার আওতায় আনতে বি-সেপ এবং মাইগ্রেশন প্রকল্পের আয়োজনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালায় পূর্ব শিখনের স্বীকৃতি বিষয়ক নীতিমালা এবং সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোকপাত করেন আইএলও-এর আইএসডি প্রোগ্রাম অফিসার এএনএম তানজেল আহসান। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এনএসডিসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত সচিব এবিএম খোরশেদ আলাম এবং আইএলও- এর চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার দীপা ভারতী, স্নেহাল সনেজি ও কিশোর কুমার সিংহ।
এছাড়া এ কর্মশালায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
ইত্তেফাক/কেকে
