প্ররোচনায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা: বগুড়ায় বাবা-ছেলের আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৩৫
 
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় প্ররোচনায় স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তার বাবা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ বৃহস্পতিবার  দুপুরে তারা আত্মসমর্পণ করেন। পরে তারা জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
 
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বখাটে হুজাইফ ইয়ামিন ও তার বাবা আমিনুর ইসলাম মীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দুটি মামলা রয়েছে। ওই দুই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যথাক্রমে এসআই খায়রুল ইসলাম ও জাকির হোসেন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথকভাবে আদালতে ৭দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর সেই আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
 
উল্লেখ্য, হুজাইফ ইয়ামিনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে রবিবার রাতে নিজ বাড়িতে রাজিফা আকতার সাথী আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। একই সময় অভিযুক্ত বখাটে হুজাইফ ইয়ামিনকে (২০) আটক করতে হেরুঞ্জ গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এসময় বাবা-ছেলে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে পুলিশের ৫জন কর্মকর্তা আহত হন।
 
ওই রাতে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে দ্বিতীয় দফা অভিযান চালিয়ে ২৬জনকে আটক করে। দ্বিতীয় দফা অভিযানের আগেই হুজাইফ ইয়ামিনসহ তার পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপন করেন। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মেয়ের বাবা গোলাম রব্বানী হুজাইফ ইয়ামিন ও তার বাবা আমিনুর ইসলাম মীরকে আসামি একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে দায়িত্বপালনে বাধা ও হামলার অভিযোগে এসআই আব্দুর রহিম ২৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০-৫০জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি