গ্রামবাসীদের ধাওয়ায় পালালো বালু উত্তোলনকারীরা

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০১৭, ২১:৪৪
 
সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীর আনন্দবাজার বালু মহালে গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের মুখে পালালো বালু উত্তোলনকারীরা। শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। 
 
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আনন্দবাজার বালু মহালে দীর্ঘদিন বালু উত্তোলন বন্ধ থাকার পর আবারো শুরু হয়েছে। মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনের জন্য কোন ইজারা না নিয়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নবী হোসেনের নেতৃত্বে বাসেদ মেম্বার, আমির হোসেন, সিরাজ মিয়া, মাজারুল ইসলামসহ ৫০-৬০জনের একটি দল বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন। ফলে এলাকার কৃষি জমি ও বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
 
শুক্রবার সকালে বালু মহালের সীমানা অতিক্রম করে বারদী ইউনিয়নের চান্দেরপাড়া, সেনপাড়া, দলরদী গ্রামের কৃষকদের ফসলি জমির তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলন করতে থাকে বালু উত্তোলনকারীরা। খবর পেয়ে ওই তিন গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে লাঠিসোটা নিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে তারা ড্রেজার নিয়ে পালিয়ে যায়।
 
নবী হোসেন বলেন, আমরা বালু মহাল থেকেই বালু উত্তোলন করছি। কোনো কৃষকের ফসলী জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে না। তবে একটি মহল আমাদের কাছ থেকে চাঁদা চেয়ে না পেয়ে গ্রামবাসীদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলন করতে উসকে দিচ্ছে।
 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, বালু মহালের সীমানা অতিক্রম করে বালু উত্তোলন করা বালু মহাল ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন। কেউ যদি সীমানা অতিক্রম করে ফসলী জমির মাটি কেটে নিয়ে যায়-লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/ আরকেজি