চীনা রাষ্ট্রদূত মা সিংকিয়াং বলেছেন, একতা আর বন্ধুত্বই হল চীনের নীতি। এই নীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। ঠিক তেমনি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভিন্ন মাত্রায় এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যাতে দ্রুত অগ্রগতি আর উন্নয়ন সম্ভব হয়। বাংলাদেশ আর চীনের সম্পর্কের ভীত হচ্ছে পারস্পরিক আস্থা ও সমতা। দুই দেশের জন্যই সমান সুযোগ তৈরি হচ্ছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যেও চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। যার ফলে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে।
IMG0
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী বাংলাদেশের তরুণ কূটনীতিকদের এক অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানে চীনা রাষ্ট্রদূত একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, ফরেন সার্ভিস একাডেমির প্রিন্সিপাল সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খোন্দকার, চীনা দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর লি গুয়াংজুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
২০১৩ থেকে এ বছর পর্যন্ত পররাষ্ট্র সার্ভিসের ৯০ জন কর্মকর্তা পাঁচটি গ্রুপে চীনা উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। তারা চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ফরেন সার্ভিস ইউনিভার্সিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সরেজমিন পরিদর্শন ও নীতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
IMG1
পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক নবীন কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়ার জন্য চীনা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও মান বাড়বে। বাংলাদেশ একটি নবীন রাষ্ট্র। অন্যদিকে চীন বেশ পুরনো রাষ্ট্র। প্রতিটি ক্ষেত্রেই চীনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এ জন্য আমাদের মধ্যে আরো বেশি সহযোগিতা দরকার। বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের ভ‚মিকা পালন করে আসছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক আজ অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্যেও নিহিত। সে লক্ষ্যেই ঢাকা ও বেইজিং এর সম্পর্ক অগ্রসরমান।
IMG2
চীনা রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ঠিক এক বছর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট ঢাকা সফরকালে বলেছিলেন বাংলাদেশকে আরো বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সেলক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। মানব সম্পদ উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কর্মকর্তা, কূটনৈতিকসহ সকল স্তরের প্রতিনিধিদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে চীন। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
ইত্তেফাক/ইউবি
