গাজীপুরে এক যুবককে ছুরিকাঘাত ও শ্বাসেরাধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার ভোরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশেনের পূর্ব মারিয়ালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মনির হোসেন (৩২)। তিনি ওই এলাকার মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় নিহেতর বড় ভাই আনোয়ার হোসেনেক আটক করা হলেও ঘটনার পর ভাবি ফাহিমা আক্তার পালিয়ে গেছে।
নিহেতর অর্পিতা আক্তার (১২) জানায়, ছোট বেলায় তার মা চলে যান। পরে বাবা আনোয়ার হোসেন দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সে দাদা-দাদি, বাবা ও সৎমায়ের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। এ বাড়ির একটি কক্ষে তার চাচা থাকেন। তিন দিন ধরে তার দাদা দাদি অন্যত্র বেড়াতে যান। সে সুবাদে অর্পিতা তার সৎমায়ের সঙ্গেই ঘুমাতো। সে জানায়, মঙ্গলবার রাতে তার সৎ মা তাকে ভাত খেতে দেয়। খাবার পর অর্পিতা মাথা ঘোরানোসহ অসুস্থ বোধ করলে ঘুমিেয় পড়ে। সকাল সোয়া সাতটার দিকে সে ঘুম থেক উঠে বাবা মা ও ছোট ভাইকে খুঁজতে থাকে। তাদের না পেয়ে পাশে এক আত্মীয়ের বাড়িত যায়। সেখান থেকে তার মায়ের মোবাইলে ফোন দিলে মোবাইলটি বন্ধ পায়। পরে সে আত্মীয়কে নিয়ে বাসায় এসে চাচার ঘরের দরজা খুলেতই খাটের উপর তার চাচার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরেদহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
জয়েদবপুর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পারিবারিক বিরোধ বা পরকীয়ায় মনির হোসেনকে হত্যা করা হতে পারে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের বড় ভাই আনোয়ার হোসেনকে আটক করেছে। ঘটনার পর আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার তার ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যান। তাকে ছুরিকাঘাত ও বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআই
