বগুড়ায় বিএনপির মিছিলে লাঠিচার্জ, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আটক ৫

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৭, ২২:৫৩
 
বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফিরে আসা উপলক্ষে বগুড়ায় নেতাকর্মীদের মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। বাধা উপেক্ষা করে মিছিলের চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। গাবতলী উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্শেদ মিল্টনসহ ৫ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে।
 
জানা গেছে, লন্ডনে চিকিৎসা শেষে বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফেরা উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বগুড়া শহরের নবাববাড়ী সড়কে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলটি সদর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গেলে পুলিশ কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা ফেরার পথে ফতেহ আলী ব্রিজের সামনে পুলিশ পেছন থেকে লাঠিচার্জ করে বলে বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এসময় ৩ জনকে পুলিশ আটক করে।
 
একই সময়ে বিএনপির আরেক দল নেতাকর্মী মিছিলসহ ফেরার পথে জজকোর্টের মোড়ে পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় পুলিশ লাঠিচার্জ এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়। এসময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা পুলিশের মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী ৪জনকে আটকের কথা নিশ্চিত করলেও পুলিশ কারো উপর লাঠিচার্জ করেনি বলে দাবি করেন।
 
এদিকে, গাবতলীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থান নিলে পুলিশ বাধা দেয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে চাইলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের লাঠির আঘাতে কমপক্ষে ২০ নেতাকর্মী আহত হওয়ার দাবি করেছে বিএনপি। পুলিশ আহত অবস্থায় গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্শেদ মিল্টনকে আটক করেছে।
 
গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্শেদ মিল্টনকে  আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি