মঞ্চ, টিভি নাটক ও চলচ্চিত্র; এই তিন মাধ্যমে দক্ষ অভিনয়শৈলীর কারণে দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন আনিসুর রহমান মিলন। বর্তমানে টিভি নাটক থেকে চলচ্চিত্রেই সময় দিচ্ছেন বেশি।
এদিকে গত ১৬ অক্টোবর এ অভিনয়শিল্পীর সামাজিক যোগাযোগের অ্যাপস 'ইমো'র (বিনা পয়সায় ভিডিও কল এবং বার্তা আদানপ্রদান করা যায়) অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়েছে। তারপর থেকে একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলছে। আর বিষয়টি নিয়ে ভীষণ বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েছেন মিলন। ১৮ অক্টোবর রাতে আলাপকালে এ তথ্য জানান মিলন।
ঘটনাটি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিচিত একজনের নম্বর থেকে প্রথমে একটি ম্যাসেজ আসে। সেখানে লেখা ছিল ভাই, আমি একটি ইমো অ্যাকাউন্ট খুলেছি, কিন্তু কোন একভাবে আপনার ফোনে আমার কোড নম্বরটি চলে গিয়েছে। আমাকে একটু কোড নম্বরটা পাঠাবেন? আমি তো কোড নম্বর পাঠিয়ে দিয়েছি। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখি আমার ইমো অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড হয়ে গিয়েছে।’
যদিও বিষয়টি মিলন ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে টের পাননি। পরক্ষণে বুঝতে পারলেন তার নম্বর দিয়ে ওই ফোন থেকে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। এরপর হিসেব অনুযায়ী মিলনের নম্বরেই ম্যাসেজ এসেছে। আর একটি বিষয় হল-যে নম্বর থেকে কোড নম্বর চেয়ে ম্যাসেজটি আসে তার আইডিটিও হ্যাকড করা হয়েছে আরও আগেই। এরপর যা ঘটছে-সেটা আরও ভয়াবহ।
মিলন বলেন, ‘আমার অ্যাকাউন্ট থেকে সে মেয়েদের নক করতেছে। আর নানারকম উল্টাপাল্টা কথা বলতেছে। কারণ যারা আমার সম্পর্কে জানেন, তাদের কাছে বিষয়টি তো শুরুতেই খটকা লেগেছে। আর এমনকি আমার স্ত্রীকেও সে ডিস্টার্ব করতেছে। সে তাকে বলতেছে, ‘তোমার নামটা তো ভুলে গিয়েছি..., তোমার কিছু ছবি পাঠাও, দেখি।’
‘ইমো’ অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হওয়ার পর বিষয়টা নিয়ে খুব বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এ অভিনেতা।
তিনি বলেছেন, তার ‘ইমো’ অ্যাকাউন্ট থেকে কাউকে যদি বাজে ম্যাসেজ কিংবা অশ্লীল ছবি পাঠানো হয় তাহলে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হয়। আর আইডিটি ফিরে পাওয়ার জন্য মিলন ইতোমধ্যে চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন। এদিকে শুটিংয়ে ১৯ অক্টোবর দুপুর আড়াইটায় ফ্লাইটে কুয়াকাটা যাবেন মিলন। আর ২৩ তারিখ বিকালে ঢাকায় ফিরবেন। ব্যস্ততার কারণে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি মাথায় আসলেও তিনি সামনে পা আর বাড়াননি। তবে ঢাকায় ফিরে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন মিলন।
ইত্তেফাক/রেজা
