বর্তমান সংসদীয় আসনের সীমানায় সংবিধান অনুযায়ী আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে জাতীয় পার্টি (জেপি)। দলটি বলেছে, আদমশুমারী না হওয়ায় শুধু ছিটমহল সীমানায় যুক্ত করা যেতে পারে। একইসঙ্গে বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় সেনা মোতায়েন, না ভোট চালু, ইভিএমে এখনই নির্বাচন না করাসহ ৯ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে জেপি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে জেপির ১৫ সদস্যর প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। দুই ঘণ্টাব্যাপী সংলাপ শেষে জেপির চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে আগামীতে ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছেন।
তিনি বলেন, আলোচনা হয়েছে যে নির্বাচনটি আসছে তা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করা যায় নিয়ে। যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে তার মধ্যে প্রায় সকলেই সুষ্ঠু নির্বাচন চান। তবে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে, তাতে নিয়ে সামান্য থাকতে পারে। আমরা আশা প্রকাশ করে এসেছি, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটির সুরহা হবে।
সংলাপের শুরুতেই সূচনা বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা ছাত্রজীবনে স্মৃতিচারণ করে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সম্পর্কে বলেন, ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের সময়ে প্রায় তার বক্তব্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। সেই সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কথা বলা অত্যন্ত কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তারপরও তিনি বারবার সেই কথা বলতেন, পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের কোনো দায়দায়িত্ব নেই।
সকাল ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে জেপির সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়। এ সময়ে চারজন নির্বাচন কমিশনার, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিবসহ উধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংলাপের শুরুতে সিইসি জেপির ১৫ সদস্যর প্রতিনিধির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর রাজনৈতিক দল হিসাবে জেপির প্রসঙ্গে সূচনা বক্তব্য দেন তিনি।
ইত্তেফাক/কেকে
