নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতে জন-জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। একটানা এ বৃষ্টিপাতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৩ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক প্রনব কুমার রায় জানান, নিম্নচাপটি শুক্রবার সকালের পর স্থল নিম্নচাপে পরিনত হয়ে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে শনিবারও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থেকে রবিবার আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকাসমূহে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। এছাড়া নদী বন্দর এলাকায় ২ নম্বর সতর্ক সংকেত ও সমুদ্র বন্দর এলাকায় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেট বলবৎ রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগর উপ-পরিচালক মো. আজমল হুদা মিঠু সরকার জানান, নদী বন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত থাকায় অভ্যন্তরীণ রুটে ৬৫ ফিটের নিচের লঞ্চগুলোকে এবং ইলিশা-মজুচৌধুরী রুটের নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ঢাকা-বরিশাল কিংবা অন্যান্য রুটের লঞ্চগুলো চলাচলে কোনো বাধা নেই।
এদিকে দিনভর বৃষ্টিপাতে নগরীর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি নগরীর অধিকাংশ সড়কে পানি জমে গেছে। সদর (জেনারেল) হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি জমায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পেতে হয়েছে। দিনভর বৃষ্টিতে গণ পরিবহনের সংখ্যা ছিল কম।
ইত্তেফাক/আরকেজি
