চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানার মাঈন উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পশ্চিম পাশে মকবুল আলী মাঝির বাড়ির সামনে থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতের নাম ওমর ফারুক (৩০)। তিনি হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মেহেদীনগর গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ওমর ফারুকের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সোনিয়া, শ্যালিকা আবিদা সুলতানা ও স্ত্রীর প্রেমিক মো. রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ। এবিষয়ে জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের ছোট ভাই ইব্রাহীম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ইব্রাহীম জানান, প্রায় এক বছর আগে তার ভাই ও ভাবির মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে তার ভাবি ফোনে বড় ভাই ওমর ফারুককে তাদের বাসায় যেতে বলেন। যাওয়ার সময় ছেলের জন্য কিছু ফল ও মিষ্টি নিয়ে যেতে বলে। তার ভাই ভাবির কথা মতো রাতে ফল ও মিষ্টি নিয়ে জোরারগঞ্জ থানাধীন চিনকির আস্তানার বাসায় যান। রাতে ভাবি জেসমিন আক্তার সোনিয়া, শ্যালিকা আবিদা সুলতানা ও ভাবির প্রেমিক রুবেল গলা কেটে ওমর ফারুককে হত্যা করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবির জানান, শুক্রবার সকালে জোরারগঞ্জ থানাধীন মাঈন উদ্দিন পেট্রোল পাম্পের পাশে একটি বাড়ির সামনে থেকে ওমর ফারুকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ওমর ফারুকের স্ত্রী জেসমিন আক্তার, শ্যালিকা আবিদা সুলতানা ও প্রেমিক রুবেলকে আটক করে। আটককৃতরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এবিষয়ে মামলা করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
