চোর আতঙ্কে শ্রীবরদী পৌরবাসী

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৭, ১০:৫৬
 
শেরপুরের শ্রীবরদী পৌর সদরে একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে পৌরবাসী। পৌরবাসীর মাঝে বইছে চোর আতঙ্ক। ফলে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখা দিয়েছে ওই এলাকাতে।
 
জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র প্রায় প্রায়ই বিভিন্নস্থানে বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও অফিসে ঢুকে মালামাল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। গত ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরশহরের উত্তরবাজার এলাকার ব্র্যাক অফিস রোডস্থ অ্যাডভোকেট জাকিউল আলমের বাসায় ঘটে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা। সে সময় বাসায় কেউ না থাকায় চোরের দল গ্রিলের তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে আনুমানিক দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও গত কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি।
 
অ্যাডভোকেট জাকিউল আলম বলেন, চোরের দল তার বাসা থেকে চার ভরি স্বর্ণ, নগদ ছয় হাজার টাকাসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তিনি শ্রীবরদী থানায়  একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে জানায়। জানা যায়, এর আগেও বেশ কিছুদিন আগে একই এলাকার বাসিন্দা মোরাদ আলী সরকার সাজু ও সহকারী শিক্ষক সবুর মিয়ার বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে।
 
গত ১৬ অক্টোবর রাতে উপজেলার উত্তর বাজার এলাকায় অবস্থিত বন বিভাগের সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের স্টোর রুমের দরজা ভেঙে চোরের দল স-মিলের দুটি চাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম গত ১৮ অক্টোবর শ্রীবরদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়াও বেশ কিছুদিন আগে থানার সামনেই এক বাসা থেকে দিন দুপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তার মোবাইল চুরি হয়। সাতানী শ্রীবরদী মহল্লায় পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু অদৃশ্য কারণে গ্রেফতার হচ্ছে না চোর চক্র।
 
এ প্রসঙ্গে শ্রীবরদী থানার এস.আই আবুল কাশেম বলেন, অ্যাডভোকেট জাকিউল আলম থানায় একটি অভিযোগ করেছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। অচিরেই এ ঘটনার সাথে জড়িত চোর চক্রকে গ্রেফতার করা হবে। শ্রীবরদী থানার ওসি রেজাউল হক বলেন, পৌর এলাকায় দিনে ও রাতে পুলিশি টহল জোরদার করা হচ্ছে।
 
ইত্তেফাক/জামান