টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি হচ্ছে: দুদক চেয়ারম্যান

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ১০:৪৬
 
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। টেন্ডার প্রক্রিয়া আমাদের দেশে দুর্নীতির আরেকটি উত্স। এক্ষেত্রে তথাকথিত নেগোসিয়েশনের নামে দুর্নীতি হচ্ছে। তাই প্রতিটি টেন্ডার প্রক্রিয়া ইলেক্ট্রনিক টেন্ডারিং (ই-টেন্ডারিং) প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা উচিত। 
 
গতকাল রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের মধ্যে পারস্পরিক দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
 
তিনি আরো বলেন, এই নেগোসিয়েশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি হচ্ছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে দুদকের নিকট অভিযোগ আসে। নেগোসিয়েশন হতে পারে, তবে তা হতে হবে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে। তিনি সরকারি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা আনয়নের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে।
 
সভায় প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল খান চৌধুরী বলেন, এটি একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। তাই আমরা দুদকের তদন্ত এবং প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতার সহযোগিতা চাই। আমরা দুদকের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য একটি লিখিত প্রস্তাব দিতে চাই। হঠাত্ করে চালের দাম বা পিঁয়াজের দাম বাড়িয়ে কিছু লোক দ্রুত ধনী হতে চায়। এসব ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা কমিশন হস্তক্ষেপ করবে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান।
 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুদক সচিব ড. মো. শামসুল আরেফিন, মহাপরিচালক মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী, মো. আসাদুজ্জামান, মো. জাফর ইকবাল, মো. আতিকুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের তিন কমিশনার।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর