নোয়াখালীতে ব্যাংকের ডিজিএমসহ ৫ কর্মকর্তা আটক

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ২০:৪০
 
ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে ব্যাংকের ডিজিএমসহ পাঁচ কর্মকতাকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখা থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক কোটি ৯৭ লাখ টাকা ১৬ হাজার ৭শ' টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগে রয়েছে। 
 
জেলা শহরের মাইজদী থেকে সোমবার তাদেরকে আটকের পর আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
 
তারা হলেন-কিশোরগঞ্জ প্রিন্সিপাল অফিসের ডিজিএম মীর আব্দুল লতিফ, প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামদ্দোহা নাহাদ, চরবাটা শাখার সিনিয়র অফিসার জাকের উল্যাহ, সুবর্ণচর শাখা ব্যবস্থাপক মোশতাক আহম্মেদ সিদ্দিকী ও ফেনী শাখার ক্যাশ অফিসার এমএ রহমান।
 
দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান জানান, ডরফিন সি-ফুড ইন্ডাস্টিজের স্বত্বাধীকারী মো. নিজাম উদ্দিন ফারুক ২০১২ সালে সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখা থেকে ইলিশ মাছ সংরক্ষণের জন্য এক কোটি ৯৭ লাখ টাকা ১৬ হাজার ৭শ' টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। 
 
ওই সময়ে সোনালী ব্যাংক নোয়াখালী শাখা ব্যবস্থাপক মীর আব্দুল লতিফ, প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামদ্দোহা নাহাদ, একই শাখার সিনিয়র অফিসার জাকের উল্যাহ ও ক্যাশ অফিসার এম এ রহমান, এসপিও মোশতাক আহম্মেদ সিদ্দিকী ব্যাংকের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে ঋণ গ্রহীতার সাথে পারস্পরিক যোগসাজসে ওই ঋণ দেন। বিভিন্ন সময়ে সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিদর্শন দল ওই প্রতিষ্ঠানে এসে শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ পায়। গ্রাহক গ্রহীত ঋণের বড় অংশ অন্য খাতে ব্যবহার করেন। এ ঘটনায় ২০১৬ সালে সুধারাম মডেল থানায় দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর অভিযুক্তদেরকে আটক করা হয়।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি