নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী ভিক্ষুক

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ১৬:১৪
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের সহায়তায় ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে অনেকে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বী হওয়ার চিত্র পরিদর্শন করে মুগ্ধ হয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক খালেদ রহীম।
 
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শনে এসে পুনর্বাসিত ভিক্ষুক মোজে বেওয়ার পিঠা বিক্রির চিত্র দেখেন জেলা প্রশাসক। এর আগে তিনি উপজেলায় কফি চাষী কুদ্দুসের সাফল্য দেখার জন্য কফি বাগান পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি কফি চারার নার্সারীও পরিদর্শন করেন। এছাড়া উপজেলা পরিষদের পতিত ৮ একর জমিতে ফলদ বাগান পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মেহেদী হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ তামান্না।
 
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম সাংবাদিকদের জানান, ২০১৪ সালের ৫ জুলাই  এক মানবতার সমাবেশের মাধ্যমে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিদ্দিকুর রহমান কিশোরগঞ্জ উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করে ৯৫১ জন ভিক্ষুককে তালিকাভুক্ত করে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে আর্থিক সহায়তা করে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে  স্বাবলম্বী করেন। কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুনর্বাসিত ভিক্ষুকরা বর্তমানে  উন্নয়ন কর্মী হওয়ায় আমি অভিভূত।ভিক্ষুকমুক্ত কিশোরগঞ্জ উপজেলা বর্তমানে বাংলাদেশের একটি মডেল উপজেলা। এই উপজেলার সাফল্য দেখে ইতোমধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগকে ভিক্ষুকমুক্ত করা হয়েছে। আগামীতে আমরাও গোটা নীলফামারী জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছি।
 
তিনি আরো বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা উপজেলার কফি চাষী কুদ্দুসের কফি চাষের সাফল্যে সবাইকে তাঁক লাগিয়ে দিয়েছে। কুদ্দুসের কফি চাষকে বাণিজ্যিকভাবে বৃদ্ধি করার  জন্য জেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের মাধ্যমে তাঁকে সহায়তা করা হবে বলে তিনি জানান।