ভিকারুননিসার ছাত্রী নওশীন খুন

মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আসামির যাবজ্জীবন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৭, ১৮:৪৪
 
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া নওশীন (প্রিয়াঙ্কা) হত্যা মামলার আসামি জাহিদুল হক রিন্টুর মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। 
 
ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই রায় দেন। 
 
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আসামি রিন্টু ২০১২ সাল থেকে কনডেম সেলে আছেন। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী নেই এই দুটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত সাজা কমিয়ে দিয়েছে। আমরা এর বিরুদ্ধে আপিল করব।’ 
 
২০০৭ সালের ১৮ জুলাই বড় মগবাজার এলাকার পেয়ারাবাগের বাড়িতে মেধাবী শিক্ষার্থী সাদিয়া নওশীন খুন হন। এ ঘটনায় পরদিন নিহত নওশীনের বাবা মো. সুলতান ফারুক রমনা থানায় মামলা করেন। ঘটনার দিন নওশীনকে তার নিজকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়। নওশীনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিন্টুকে ঘটনার কিছুদিন আগে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। এরপরই শয়ন কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো নওশীনের লাশ পাওয়া যায়। রিন্টু সম্পর্কে নওশীনের মামা। মামলার এজাহারে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রিন্টুর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। 
 
২০০৯ সালের ২৭ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রিন্টুকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামি।
 
ইত্তেফাক/ইউবি