একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সাতক্ষীরায় প্রচারণায় ব্যস্ত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৭, ০২:৩১

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বেশ উত্সাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন দলের জেলার শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। মনোনয়ন প্রত্যাশী এসব নেতাদের ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে শহর-গ্রাম। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সারছেন নানা প্রস্তুতিমূলক কাজ।

প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঝেমধ্যেই ছুটছেন ঢাকায়। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে। যাতে মনোনয়ন পেতে অসুবিধা না হয়। দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌড়-ঝাপে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। মনোনয়ন লাভের আশায় প্রতিটি আসনে আওয়ামী লীগের ৫/৬ জন প্রার্থী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। জামায়াত ইসলামী বাদে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অন্যান্য দল প্রকাশ্যেই তত্পরতা চালাচ্ছে। এ জেলায় অনেক আগে থেকেই জামায়াতের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান রয়েছে। আর এ কারণে সাতক্ষীরার চারটি আসনের জয়-পরাজয়েই জামায়াতের প্রভাব থাকবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর মিত্র দল বিএনপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি না হলে জামায়াত স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে পারে বলেও প্রচার রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি গণসংযোগ করছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।             থেমে নেই জামায়াতে ইসলামের মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য প্রার্থীরাও। তারা গোপনে তাদের কর্মীদের সংগঠিত রাখার চেষ্টা করছে। বর্তমান সংসদ সদস্যরা ছাড়াও আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি হাইব্রিড লোকজনও মাঠে বেশ জোরেসোরে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করছেন। তাদের প্রচারণার মূল কথা হচ্ছে নেত্রী আমাকে মাঠে কাজ করতে বলেছেন। আশা করছি আমি মনোনয়ন পাবো। তাই আমি আপনাদের কাছে এসেছি এলাকার উন্নয়ন এবং আপনাদের সেবা যাতে করতে পারি তার জন্য দোয়া চাইতে।

২০০১ সালের নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামায়াত কোনো আসনেই জিততে পারেনি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালানোর পাশাপাশি দলীয় কোন্দল মেটাতেও ব্যস্ত রয়েছেন।

ইত্তেফাক/নূহু