‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল’

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৭, ২১:১৪
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।শিক্ষাবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল বলেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি।
 
বিশ্বের ডকুমেন্টারি হেরিটেজের অংশ হিসাবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় ড. আনিসুজ্জামান আজ মঙ্গলবার এ কথা বলেন। আনিসুজ্জামান বলেন, আমাদের সকলের জন্য এটি খুবই খুশির এবং গর্বের বিষয়।
 
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান বলেন, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি বিশাল অর্জন। এই স্বীকৃতি অর্জনের পেছনে বাংলা একাডেমির ভূমিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলা একাডেমি গ্রন্থ আকারে ৭ই মার্চের ভাষণ প্রকাশ করে। এই গ্রন্থ ইউনেস্কো এবং বাংলাদেশে বিদেশী দূতাবাস ও হাইকমিশনসহ বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় পাঠায়। 
 
শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি বলেন, অনেক বিলম্বে হলেও এই স্বীকৃতি জাতির জন্য আনন্দ ও অহংকার বয়ে এনেছে।
 
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ কোনো সাধারণ ঘটনা ছিল না, এই ভাষণে পূর্ব পাকিস্তানের একটি রাষ্ট্রের নিপীড়িত, বঞ্চিত ও নির্যতিত জনগণের চিত্র ফুটে উঠেছে। সমগ্র বিশ্বে এই ভাষণ প্রশংসিত হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে লাকি বলেন, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথে এগিয়ে যেতে আমাদেরকে আরো দায়িত্বশীল করেছে।
 
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস বলেন, অনেক আগেই বিশ্বের জনগণ বেসরকারি ভাবে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতি দিয়েছে। এখন ইউনেস্কোর দেয়া স্বীকৃতির মাধ্যমে এই ভাষণ বিশ্ব ইতিহাসে সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
 
কুদ্দুস বলেন, এই স্বীকৃতি বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম ও রাজনীতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে সোমবার প্যারিসে সদর দফতরে এই স্বীকৃতি দেয়। বাসস
 
ইত্তেফাক/কেকে