শাটল ট্রেনে বসাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দু-গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ দু‘পক্ষের চারজন আহত হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের এমবিএর শিক্ষার্থী জোবায়ের, আইআর বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের খালেদ, একই শিক্ষাবর্ষের ইতিহাস বিভাগের সাব্বির, আইএমএল বিভাগের জিকু।
দুই পুলিশ সদস্যদের নাম জানা যায়নি।
সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে জোবায়ের নামের এক ছাত্রলীগকর্মীকে কুপিয়ে আহত করে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারীরা। জোবায়ের চবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপুর অনুসারী বলে ক্যাস্পাসে পরিচিত।
এ ঘটনা ক্যাস্পাসে ছড়িয়ে পড়লে দু‘গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দু‘গ্রুপের মধ্যে ইট পাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। এ সময় পুলিশ সদস্যসহ পাচঁ জন আহত হয়। পরে পুলিশ দু‘ গ্রুপকে ধাওয়া দিয়ে হলে ঢুকিয়ে দেয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে এবং সাধারণ সম্পাদকের কর্মীরা এ এফ রহমান হলে অবস্থান করছে এবং পুলিশের সামনেই দু-গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল।
চবি মেডিকেল সেন্টার সূত্র জানায়, আহত জোবায়েরের বাম হাতে কোঁপ লাগে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এবং অন্যদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপুর বলেন, যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক, প্রশাসনিক ও একাডেমিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে বিজয় গ্রপের নেতা ও চবির স্থগিতকৃত কমিটির মাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। আমরা সিনিয়র পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করছি। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
