উজিরপুর আলহাজ বিএনখান ডিগ্রি কলেজ নানা সংকটে

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০১৭, ০৩:৫৮

উজিরপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী উজিরপুর আলহাজ বিএনখান ডিগ্রি কলেজটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। ১৯৮৩ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠা হলে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ৪ শ ফুট লম্বা ৪টি টিনশেড ভবনে চলছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও শিক্ষকদের প্রশাসনিক কার্যক্রম। দ্বিতলবিশিষ্ট একটি বিজ্ঞান ভবন রয়েছে। আর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে একটি একাডেমিক ভবন। রয়েছে একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব।

প্রায় ৮ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত মনোরম পরিবেশে বিদ্যাপীঠটির অবস্থান থাকলেও নেই কোনো প্রশাসনিক ভবন, মসজিদ, অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও আধুনিক কমন রুম। শিক্ষার্থীরা ভাঙা ও জরাজীর্ণ টিনসেট ভবনে লেখাপড়া করছে। ক্লাস পরিচালনার জন্য একটি বৃহত্ ভবন একান্ত প্রয়োজন। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাসহ ৯টি ইউনিয়নের এক হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী কলেজটিতে  লেখাপড়া করলেও নেই কোনো আবাসিক হোস্টেল সুবিধা। এখানে এইচএসসি পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, ও স্নাতক পর্যায়ে বিএ, বিএসএস, বিবিএস, বিএসসিসহ বিভিন্ন কোর্সে ব্যাপক সফলতা অর্জন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বরিশাল বোর্ডে সেরা ২০ এর মধ্যে ১৪তম , ২০১৩ সালে ২০তম স্থান অর্জন করেছে, ১৯৯৮ সালে  যশোর বোর্ডের অধীনে বাণিজ্য শাখায় এক শিক্ষার্থী সব বোর্ডের মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছিল। ১৯৯০ সালে যশোর বোর্ডে বাণিজ্য বিভাগে এক শিক্ষার্থী ১৪তম, ২০০০ সালে বরিশাল বোর্ডে অষ্টম, ২০০১ সালে মানবিক বিভাগে ৫ম ও ৭ম, ২০০২ সালে ৫ম স্থান, ২০১৩ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২৬ জন, ২০১৪ সালে ৪০ জন, ২০১৫ সালে ৩৭ জন, ২০১৬ সালে ১৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। পাসের হার প্রায় ৯০% এর উপরে। অত্যন্ত সুদক্ষ ৪৪ জন শিক্ষক ১৫ কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে কলেজটি। বর্তমানে অধ্যক্ষসহ ৫ জন শিক্ষক, ১ জন ৪র্থ শ্রেণির পদ শূন্য রয়েছে।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আলতাফ হোসেন জানান, কলেজটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু