সিপিএ সম্মেলনে ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৭, ১৭:১৭
 
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ৬৩ তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ)’র সম্মেলনে ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
 
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ’র চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
 
৬৪ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে সিপিএ’র বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তঃদেশীয় সম্মেলেনের এক বছরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে।
 
এই সম্মেলনে সিপিএ’র সদস্য ৪৪টি দেশের জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদের ৫৬ জন স্পিকার ও ২৩জন ডেপুটি স্পিকারসহ মোট ৫৫০জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। আজ ৬৩ তম সম্মেলনের মাধ্যমে সিপিএ’র সকল সদস্য তাদের নতুন চেয়ারপার্সন নির্বাচিত করেন।
 
এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘কন্টিনিউইং টু এনহ্যান্স দ্যা হাই স্ট্যান্ডার্ডস অফ পারফর্মেন্স অফ পার্লামেন্ট’। এই সম্মেলনে মোট আটটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
 
১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত সিপিএ’র সংগঠনের যাত্রা শুরুর পর ১৯৭৩ সাল থেকে বাংলাদেশ এই সংগঠনের সদস্য হিসেবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
 
সিপিএ কমনওয়েলভূক্ত দেশসমূহের মোট ২৪০ কোটি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এই জনসংখ্যার মধ্যে ৬০ ভাগ মানুষের বয়স ত্রিশ বছরের নিচে।
 
এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটিশ আইল্যান্ড, কানাডা, ভারত, প্যাসিফিক ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আটটি অঞ্চল নিয়ে সিপিএ গঠিত।
 
গত ৫ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সিপিএ’র ভাইস-পেট্রন শেখ হাসিনা এই সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর আগে গত ১ নভেম্বর ঢাকায় এ সম্মেলন শুরু হয়। বাসস
 
ইত্তেফাক/কেকে