প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৭, ০০:১১


প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক সিটি মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার হার্ট ও কিডনিতে জটিলতা দেখা দিলে শনিবার রাতে নগরীর বেসরকারি ম্যাক্স হসপিটালে ভর্তি করানো হয়। এসময় তার শ্বাস-কষ্টও ছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গতকাল বিকাল ৩টায় হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অসুস্থতার খবরে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা হাসপাতালে ভিড় জমায়।

জানা যায়, শনিবার রাতে মহিউদ্দিন চৌধুরী বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। তার শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট শুরু হয়। পরে তাকে রাত সাড়ে ১০টায় নগরীর মেহেদীবাগে ম্যাক্স হসপিটালে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ২টার দিকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সকালে তার শারীরিক অবস্থা নির্ণয় ও চিকিত্সা পরিচালনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।

মেডিক্যাল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেন তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করার। পরে বিকাল ৩টায় এমএ আজিজ স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারে তুলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম থেকে মহিউদ্দিনের সঙ্গে যান তার ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী ঢাকায় অবস্থান করছেন। বিকাল ৪টায় স্কয়ার হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্টজন বিশিষ্ট চিকিত্সক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ জানান, গতকাল বিকাল ৪টায় তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। সেখানে শারীরিক অবস্থা দেখে চিকিত্সকদের পরামর্শে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম গতকাল স্কয়ার হাসপাতালে মহীউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে যান। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, জাসদ একাংশের এমপি মইন উদ্দিন খান বাদল, আওয়ামী লীগের এমপি জাহাঙ্গীর কবির নানক, এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, এম আবদুল লতিফ ও দিদারুল আলম ছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ফোন করে তার স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন বলে জানান মহীউদ্দিন চৌধুরীর পুত্র ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নওফেল।

ইত্তেফাক/নূহু