রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার গাছের গুড়ি চুরির অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত দিবালোক কুন্ডু জীবন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক যুবলীগ সভাপতি। তার বিরুদ্ধে রাজবাড়ীর জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট ২ নং আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন উপজেলার পাট্টা ইউপির নিভা গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ মাসুক আহম্মেদ। মামলায় ৬ জনকে আসামী করা হয়েছে। আদালত পাট্রা ইউপি চেয়ারম্যানকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেছে।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, বাদীর বাবা ও চাচার নিজ রেকর্ডীয় সম্পত্তি হইতে ২৫টি মেহগনি গাছ, ১০টি জাম গাছ, ২টা সেগুন গাছ ৯ নভেম্বর কর্তন করে দিবালোক কুণ্ডু। যার আনুমানিক মূল্য দশ লাখ টাকা। গাছগুলো কাটার পর পাট্টা ইউপির বাহের মোড় সংলগ্ন আকিরণ স’মিলে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার বাদী লোক মারফত জানতে পারেন তার মূল্যবান গাছের গুড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিবালোক কুন্ডু জীবনের হুকুমে ট্রাক ভাড়া করে অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে। এ সংবাদে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাদী দেখতে পান তার মূল্যবান গাছগুলো ট্রাকযোগে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বাদী বাধা দিলে তাকে আওয়ামী লীগ নেতার হুকুমে অন্য আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক গাছের গুড়ি পাচার করে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক যুবলীগ সভাপতি এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান এক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দিবালোক কুন্ডু জীবন বলেন, আমার জুট মিলের পাট ক্রয় কেন্দ্র রয়েছে বাহের মোড়ে। মামলার ২ নং আসামি জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ঠান্ডু পরিচালনা করে থাকেন। মামলার বাদী মাসুক আহম্মেদের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই মামলা হয়েছে। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু
