শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষায় মৌলিক পরিবর্তন আনা হবে। শুধু জ্ঞান-প্রযুক্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাথা ভর্তি করতে চাই না। সততা, ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষার মাধ্যমে তাদের গড়ে তুলতে চাই।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘শিক্ষাক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জন’শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপ ড. মো. আখতারুজ্জামান, প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য-সচিব শামসুন নাহার চাপা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে শিক্ষার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় পরিবর্তন। সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সব ক্ষেত্রেই উন্নতি অর্জন করা। সে লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। প্রচলিত শিক্ষার মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন, সম্প্রসারণ এবং অগ্রযাত্রায় আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিসীম অর্জন অব্যাহত রয়েছে। এ সময় তিনি শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন।
ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ। বাংলাদেশে শিক্ষা ক্ষেত্রের অর্জন নিয়ে আজ আমরা গর্ববোধ করি। আজ আমাদের শিক্ষার উচ্চস্তরে পৌঁছানোর পেছনে রয়েছে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেয়া বিভিন্ন সাহসী পদক্ষেপ।
ইত্তেফাক/ইউবি
