মহারশি নদী থেকে আবারো বালু উত্তোলন

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০১৭, ০২:২৫

ঝিনাইগাতীর মহারশি নদী থেকে আবারো বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে। গত ৩ মাস পূর্বে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত এক যুগ ধরে এখানে চলছে বালু উত্তোলন। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মহারশি নদীর সন্ধ্যাকুড়া ব্রিজটি হুমকির সম্মুখীন হবার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন। এতে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ছে।

জানা যায়, স্থানীয় বালু দস্যুরা গোমড়া ও আশপাশের এলাকা থেকে এসব বালু উত্তোলন করে আসছে। বালু ব্যবসায়ীরা, স্যালো মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০/৫০ ট্রাক বালু উত্তোলন করা হয়। দিনেরাতে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। প্রতি ট্রাক বালু বিক্রি করা হয় আট থেকে ৯ হাজার টাকা। এতে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এলজিইডি’র প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহারশি নদীর সন্ধ্যাকুড়া ব্রিজটি এখন হুমকির সম্মুখীন। ব্রিজের ব্যাজপ্লেটের ২০ ফুট নিচ থেকে মাটি সরে গেছে। বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। বন-বিভাগের সন্ধ্যাকুড়া সেগুন ও গজারী বাগান বালু উত্তোলনের কাজে মাঠ হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাগান। শুধু তাই নয় বাগানের গাছ কেটে তৈরি করা হয়েছে ট্রাক যাতায়াতের রাস্তা।  এ ব্যাপারে শেরপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক এ.টি.এম জিয়াউল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের বিষয়টি প্রশাসনের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু