ডাউনলিংক করা বিদেশি টিভিতে বেআইনিভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুণর্ব্যক্ত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-এটকো’র সঙ্গে মতবিনিময় কালে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার পর বেঁধে দেওয়া ৭ দিনের মধ্যেই ডিস্ট্রিবিউটরা জানিয়েছে যে, তারা বিদেশি চ্যানেলগুলোকে আইন মেনে বিজ্ঞাপন মুক্ত চ্যানেল সম্প্রচার করবে।
মন্ত্রী বলেন, তারা বিস্তারিত কি কি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য সময় চেয়েছেন। ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। যদি দেখা যায়, আইন কার্যকর করার জন্য যৌক্তিকভাবে আরো সময়ের প্রয়োজন, তা বিবেচনা করা হবে। বাংলাদেশে সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে যদি ব্যবসা করতে হয়, তাহলে আইন মানতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সর্বত্র একই আইন। যুক্তরাজ্যে যখন বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো প্রদর্শন করা হয় সেখানে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন দেখাতে পারেনা। শুধুমাত্র সেখানকার বিজ্ঞান দেখাতে পারে। বাংলাদেশের কোনো পণ্য দেখাতে হলে সেখানে ট্যাক্স দিয়ে পারমিশন নিয়ে যথাযথ আইন অনুসরণ করে নিয়মকানুন মেনে দেখাতে হয়। ভারতেও পাকিস্তানের কোনো বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে না। আমাদের দেশে আইন লঙ্ঘন করে এটি করা হচ্ছে। আমরা শুধুমাত্র আইন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছি।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আরেকটি বিষয় হচ্ছে কেবল নেটওয়ার্ককে ডিজিটালাইজেশন করা। সমগ্র দেশ ডিজিটাল হয়ে গেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয় বাস্তবতা। কেবল নেটওয়ার্কে দেশি টেলিভিশনের ক্রমটি এ্যাটকো যে তালিকা দেবে, সে হিসেবে সম্প্রচারের জন্য আমরা নির্দেশ দেব।
আরও পড়ুন: মহেশপুরে বাড়ছে প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক স্কুল, নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ
এ্যাটকোর সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, আরিফ হাসান, বাংলাভিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সময় টিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক, আরটিভি’র চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, দীপ্ত টিভি’র পরিচালক কাজী জাহিন হাসান, চ্যানেল ২৪’র চেয়ারম্যান এ. কে আজাদ, ডিবিসি টিভি’র চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজহারুল হক সভায় অংশ নেন।
খবর বিজ্ঞপ্তির।
ইত্তেফাক/অনি
