রাজধানীর গুলিস্তানে মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুর রহমান জিদান হত্যার মূল আসামি আবু বক্করকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার সকাল ৯টায় সদরঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় জিদানকে হত্যা করেছে বলে র্যাবের কাছে স্বীকার করেছে আবু বক্কর। আবু বক্করের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার কালিকাফুর গ্রামে। তিনি একই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, গত রবিবার রাত দেড়টা থেকে দু’টার মধ্যে ঘুমন্ত জিদানকে (১৪) গলা কেটে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার লাশ সেফটি ট্যাংকে গুম করে ঘাতক পালিয়ে। পরে রাতেই তার লাশ সেফটি ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করেন ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ওই রাতে অজ্ঞাত কারণে শিক্ষার্থী আবু বক্কর (১৬) মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায়। এই হত্যাকাণ্ডের পর মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং পুলিশ আবু বক্করকে সন্দেহ করে। এ হত্যাকাণ্ডের পর মাদ্রাসার ৪ শিক্ষার্থী মো. রাফিউল, মো. হাবিবুল্লাহ, মো. রিয়াজ এবং হাফেজ পাশ ওমর ফারুককে পল্টন থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন পুলিশ জানতে পারে আবু বক্কর জিদানকে মুখ বেঁধে হত্যা করে। হত্যার পর জিদানের লাশ কোলে করে নিয়ে গিয়ে সেফটি ট্যাংকে ফেলে দেয়। পরে মাদ্রাসার গেটের পাশের বেড়া ভেঙ্গে পালিয়ে যায়।
এগিকে গ্রেফতারের পর বুধবার বিকালে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে র্যাব -৩ এর সিইও লে.কর্নেল এমরানুল হাসান বলেন, আবু বক্বর এই হত্যাকাণ্ডের আগে জিদানকে অনৈতিক কাজ করার জন্য প্রস্তাব দেয়। কিন্তু জিদান রাজি না হওয়ায় আবু বক্কর প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জিদানকে হত্যা করে।
ইত্তেফাক/ইউবি
