শিশু অধিকার রক্ষায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিকল্পনার আহ্বান

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৭, ১৯:৫৪
চর, হাওর ও শহরের বস্তি এলাকার শিশুদের রয়েছে নানাবিদ সমস্যা। এসব এলাকায় শিশুর অধিকার হরণ হচ্ছে। কখনোবা তারা অধিকার আদায়ের অবস্থাতেই পৌঁছাতে পারছেন না। সরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে শিশুদের সার্বিক উন্নয়নে। তারপর অনেক শিশু রয়ে গেছে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থানের বাইরে। এই শিশুদের উন্নয়ন ব্যতীত ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪০ সালে উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টক্ষেত্রে বিজ্ঞজনেরা। তারা শিশু অধিকার রক্ষায় বিদ্যমান সংকট উত্তরণে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিকল্পনা করে কাজ করার আহ্বান করেন। এবং সরকার ও বেসকারি উন্নয়ন সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা করার তাগিদ দেন তারা।
 
শনিবার শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ সংলাপে এসব কথা বলেন তারা। ‘তরুণ ভাবনায় আমাদের সুবিধা বঞ্চিত শিশু: বিদ্যমান সংকটসমূহ উত্তরণে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে করণীয়’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে সেভ দ্যা চিলড্রেন। প্রতিষ্ঠানের ‘এভরি লস্ট চাইল্ড’ শীর্ষক বিশ্বব্যাপী ক্যাম্পেইনের আওতায় চর, হাওর ও শহরের বস্তিএলাকায় শিশুদের জীবনযাত্রার বাস্তব অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করে তা অনুষ্ঠানে বর্ণনা করা হয়। 
 
অনুষ্ঠানে নিজ নিজ কার্যক্রমের অবস্থা তুলে ধরা এবং শিশু ও তরুণদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি খালেদ মাহমুদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন আর রশীদ, প্রকল্প পরিচালক প্রশাসন এটুআই কবীর বিন আনোয়ার, অর্থমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আফরিন আরা বেগম, বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মজিবুর রহমান, মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির পরিচালক আনজির লিটন, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেভ দ্যা চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা ইস্তিয়াক মান্নান। 
 
ইত্তেফাক/এমআই