মনপুরায় আমন ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৪৩
 
মনপুরায় ধানের ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনায় কৃষকের মাঝে খুশির আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।
 
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ১২৩০০ হেক্টর জমিতে (৩০ হাজার ৩৮১ একর) জমিতে কৃষকেরা ধান চাষ করেন। ধান উত্পাদনের লক্ষ্য মাত্রা ২৫ হাজার ৭০৪ মে.টন। ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় উত্পাদনের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাবেন বলে ধারনা করছেন কৃষি অফিস।
 
জানা যায়, মোট ১২৩০০ হেক্টর জমির মধ্যে ২৫০০ হেক্টর (৬১৭৫ একর) জমিতে রাজাসাইল/লেম্বু, ২২৫০ হেক্টর (৫৫৫৭ একর) জমিতে কাজলসাইল, ২০০ হেক্টর (৪৯৪ একর) জমিতে ঘিকচ, ২৫০ হেক্টর (৬১৮ একর) জমিতে মোটাধান, ৫০ হেক্টর(১২৪ একর) জমিতে সুগন্ধী ধান এবং ৭ হাজার ৫০ হেক্টর(১৭৪১৩ একর ) জমিতে উপসী ব্রিধান ৫২/৫৪/৪৪/৪০/২২ ও ২৩ ধান চাষ করেন কৃষকেরা।
ধান চাষ করে এবার লাভবান কৃষকেরা। ধানের দাম গড়ে ৬শত ৫০টাকা থেকে ৭শত টাকা । যা কৃষকের খরচ পুষিয়ে প্রতি ৮শতাংশে ১ হাজার টাকা লাভ থাকবে।
 
উপজেলার চরযতিন গ্রামের আলাউদ্দিন,মহিমা বেগম এর সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি ৮ শতাংশ জমি চাষ করতে তাদের খরচ হয়েছে চাষ খরচ ২শত টাকা রোপনের জন্য শ্রমিক খরচ ৫শত টাকা,বীজ ধান বাবদ ২শত টাকা,সার ও ঔষধ বাবদ খরচ হয়েছে ১২শত টাকা ও ধান কাটার সময় খরচ হবে শ্রমিক খরচ ৫শত টাকা। মোট ৮ শতাংশ জমি চাষ করতে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৭শত টাকা।
 
প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে ধান উত্পাদন হবে গড়ে ৪ মন। প্রতিমন ধান গড়ে ৬৮০ টাকা ধরে বিক্রয় করলে মোট টাকা হবে ২ হাজার ৭শত বিশ টাকা। খরচ বাদে প্রতি ৮ শতাংশে লাভ হবে ১হাজার ২০ টাকা। এবছরই কৃষকেরা একটু লাভের মুখ দেখতে পাবেন।
 
এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তা বাবু গোপীনাথ দাস বলেন, ধানের বাম্পার পলন হয়েছে। কৃষকেরা লাভের মুখ দেখবেন।
 
এ ব্যাপারে মনপুরা কৃষি অফিসার মো. হারুন অর রশিদ বলেন, এবার মনপুরায় ধানের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে কৃষকেরা ধান ঘরে তুলে একটু ভালো ভাবে দিনাতিপাত করতে পারবেন।

ইত্তেফাক/এএম।