বাংলাদেশ পুলিশের হিসাব অনুযায়ী ২০১৬-১৭ সালে ৪ হাজার ৮০০ এর বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এত ঘটনা ঘটে কিন্তু কেন মাত্র ২ শতাংশ ভুক্তভোগী বিচার পায় এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভায়। সভায় বলা হয়, পুলিশ প্রশাসন যদি জেন্ডার সংবেদনশীল না হয় তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে এই ২ শতাংশ বিচারও আমরা পাবো না।
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ’১৭ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে ‘যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোল; নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ, রাষ্ট্র গঠন কর’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পোস্টার প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউ এন উইমেন প্রতিনিধি মাহতাবুল হাকিম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম। অনুষ্ঠানটি গানের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের রোকেয়া সদনের মেয়েরা।
আয়শা খানম বলেন, আমাদের আত্মসমালোচনা করতে হবে, নতুন কর্ম পদ্ধতি নিয়ে ভাবতে হবে। তরুণ প্রজন্ম, রাজনৈতিক দলের নেতাদের নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সম্পৃক্ত করতে হবে, জানতে হবে তারা আসলে কি ভাবছে নারী নির্যাতন নিয়ে।
ইত্তেফাক/এমআর
