৬ মাসে শত কোটি টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৭, ১১:২৪
স্বর্ণের চেয়েও আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেটে বেশি লাভ। আর এ কারণে সম্প্রতি চোরাচালানকারীরা আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেটের দিকে বেশি ঝুঁকছে। এ তথ্য শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের।
 
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ৬ মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমান বন্দর, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম নৌ বন্দরে জব্দ করা হয়েছে শত কোটি টাকার সিগারেট।
 
সর্বশেষ গত শনিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জব্দ করা হয় ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ১৭৮ কার্টন আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট। জব্দকৃত সিগারেটের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ব্ল্যাক ব্র্যান্ড, কোরিয়ার মোন্ড, যুক্তরাজ্যের বেনসন ও ‘থ্রি জিরো থ্রি (৩০৩)।
 
কাস্টমস সূত্র জানায়, এসব সিগারেটের শুল্ক ৬০০ শতাংশ। এক কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালানে সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা মুনাফা করেন চোরাকারবারিরা। কিন্তু এক কোটি টাকার সিগারেট আনলে মুনাফা হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা।
 
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, চোরাচালানে আসা সিগারেট বিখ্যাত ব্রান্ডের হলেও এগুলোর সিংহভাগই নকল।
 
ইত্তেফাক/এমআর