সৈয়দপুরে জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০১৭, ২২:৫৫
 
সৈয়দপুরে জোড়া খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার মামলা হয়েছে। লাশ দুইটি দুপুরে নীলফামারী জেলার মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে। তবে এ পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
 
বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ্ই জোড়া খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার জসিম বাজার দোলাপাড়া মহল্লার এক ভাড়া বাড়িতে। দুর্বৃত্তরা তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর ধারালো অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। হত্যার শিকার এই দুইজন হলেন দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলা শহর সংলগ্ন সরকারপাড়া গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে মামনুর রশিদ (৩৫) ও একই উপজেলা শহরের পোড়াভিটা গ্রামের মহেবুল ইসলামের মেয়ে সাথী আরা (২৭)। এরা দুইজনেই মামাতা ও ফুফুতো ভাই বোন। এ ছাড়া মামনুর রশিদ পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠিত তেল ব্যবসায়ী। আর সাথী আরা রংপুরের একটি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। 
 
এ ঘটনায় মামুনের বড় ভাই আব্দুর রশীদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। সৈয়দপুরের এই জোড়া খুনের ঘটনাটি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
 
সৈয়দপুর থানার ওসি শাহজাহান পাশা জানান, যে বাড়িতে জোড়া খুনের ঘটনটি ঘটেছে সেটি সৈয়দপুর শহরের কার্ডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ডা. তৌফিক ইমামের স্ত্রী নাদিরা আক্তারের। তিনি ওই বাসাটি পেট্রোল পাম্প কর্মচারী শিবলী সাদিক ও তার স্ত্রী শান্তাকে ভাড়া দিয়েছিলেন। এই দম্পতির একটি সন্তানও রয়েছে। তবে খুনের পর থেকে শিবলী সাদিক ও তার স্ত্রী পলাতক রয়েছে। বিশেষ করে এই দম্পতিকে আটকের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারনা করা হচ্ছে জোড়া খুনের সময় এই দম্পতিসহ আরো তিনজন যুবক হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি