পাকুন্দিয়া উপজেলার তারাকান্দি-মধ্যপাড়া গ্রামে মা ও দুই শিশুসন্তানের হত্যাকারী আব্দুল কাদির মবিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ রবিবার বিকালে কিশোরগঞ্জের ৩ নম্বর জিআর আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা আক্তার ঘাতক মবিনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। দুই বাড়ির সীমানা ও একটি ঘর নিয়ে বিরোধের জেরে তিনি তার চাচি তাসলিমা আক্তার, চাচাত ভাই নিলয় ও চাচাত বোন রাইসাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
পাকুন্দিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সামছুদ্দিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বাড়ির উঠানে মাটির চুলায় নাস্তা তৈরি করার সময় মবিন একটি ধারালো দা নিয়ে তার চাচি তাসলিমা আক্তার (৩০) এবং তার দুই সন্তান নিলয় (৭) ও রাইসার (৪) ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি দায়ের কোপে তাসলিমা আক্তার ও নিলয় ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাইসাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের বাঁচাতে গিয়ে তাসলিমা আক্তারের স্বামী মোশাররফ হোসেনও গুরুতর আহত হন। মোশাররফ হোসেনের অপর সন্তান মোহনা (১০) আগের দিন খালার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় সে এই হামলার হাত থেকে রক্ষা পায়।
ইত্তেফাক/কেকে
