চলন্ত বাসে উঠে কিশোর ছিনতাইকারীর গুলি

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ২১:২৫
ব্যস্ত সড়কে একটি মোটরসাইকেল থেকে এক কিশোর নেমে দৌড়ে থেমে থাকা বাসে উঠে পড়ে। বাসের ভিতর এক ব্যবসায়ীর কাঁধে থাকা ব্যাগ ধরে টানাটানি করতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ওই ব্যবসায়ী প্রথমে ভয় পেয়ে যান। এরপর তিনি ব্যাগটি রক্ষা করার জন্য চেষ্টা করেন। এ সময় ওই কিশোর তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে বাসের ভিতর ওই ব্যবসায়ীকে গুলি করে। এরপর ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।  
 
সোমবার দিনে দুপুরে রাজধানীর শ্যামলীতে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ শহীদুল ইসলামকে (৩০) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি মধ্যবাড্ডার লিংক রোডের ‘চেয়ারবাজার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী।
    
আহত শহীদুল বলেন, সাভারে প্রাইম ব্যাংকের কাজ শেষ করে দুপুরে বৈশাখী পরিবহনের একটি বাসে উঠেন তিনি। এরপর বাসটি শ্যামলী এলাকায় এসে থামতেই একটি মোটরসাইকেল বাসটির দরজার সামনে এসে দাঁড়ায়। তিনি বাসের জানালা দিয়ে দেখতে পান মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা কিশোরটি দৌড়ে বাসে উঠে পড়ল। তখন তিনি বাসটির দরজার পাশের সিটে বসা ছিলেন। ওই কিশোর তার কাঁধে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি বাধা দেন। তখনও তিনি বুঝতে পারেননি যে, ওই কিশোরের কাছে পিস্তল আছে। এক পর্যায়ে ওই কিশোর তার কোমর থেকে একটি পিস্তল বের করে তার হাতে গুলি করে ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত বাস থেকে লাফ দিয়ে নেমে পড়ে। 
 
শহীদুল অক্ষেপ করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। কিশোরটি চলে যাওয়ার পর বাসের লোকজন সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন। কিন্ত যখন কিশোরটি তার ব্যাগটি ধরে টানাটানি করে এবং গুলি করে তখন কেউই তাকে আটকায়নি। ওই ব্যাগে চেয়ার মেরামত করার কিছু জিনিসপত্র ছাড়া আর কিছু ছিল না। 
 
গুলি করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্ভবত সাভারে ব্যাংক থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাকে টার্গেট করেছিল ছিনতাইকারীরা। তারা ভেবেছিল যে ব্যাগে টাকা রয়েছে।