সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, কোকোর মত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াকে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়। আর এ বাধা দেওয়ার মধ্য দিয়েই সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের মুখে এখন সংলাপের কথা মানায় না।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি এ সময় মঞ্চে বসা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদের শাসিয়ে বলেন, মঞ্চের নেতারাই সকল সমস্যার স্থল। নিজেরা শুধরান, সংশোধন হন, এলাকার লোক যখন বিপদে পড়ে নেতারা তখন ঢাকায় থাকেন। সবাই ভালো হয়ে যান। দল করলে দলের নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, জিয়াউর রহমান যখন মারা গেলেন তখন ভাঙা সুটকেস রেখে গেলেন। এখন তার ছেলে তারেক রহমানের ১২ দেশে রয়েছে ১২ বিলিয়ন ডলার।
যশোর অফিস: রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে যশোরের রাজারহাটে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ভাঙা রেকর্ড বাজতেই থাকে। তারা বলে গেল রে গেল, গণতন্ত্র গেল। গেল রে গেল, নির্বাচন গেল।
কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা: বিল বোর্ডে সুন্দর চেহারা দেখে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। বিভিন্ন পর্যায়ে জরিপ চলছে। এই জরিপে যিনি এগিয়ে থাকবেন এবং জনগণের সাথে যার সম্পর্ক রয়েছে, জনগণ যাকে ভালোবাসে শেখ হাসিনা তাকেই মনোনয়ন দিবেন। মন্ত্রী বলেন, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জায়গা জমি দখলবাজ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের আওয়ামী লীগে জায়গা হবে না। মঙ্গলবার সকালে ওবায়দুল কাদের সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে কেশবপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাস চত্বরে পথসভায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
ইত্তেফাক/নূহু
