শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, 'প্রত্যেক কারখানায় ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে'। বৃহস্পতিবার গাজীপুরের টঙ্গীতে শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়তন মিলনায়তনে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল এবং কেন্দ্রীয় তহবিলের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
কারখানার কর্ম-পরিবেশ শোভন হলে উৎপাদনও অনেক বাড়বে-এ কথা উল্লেখ করে শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'আপনারা শ্রম আইন মেনে চলবেন। সুশৃঙ্খল না হলে শ্রমিকরা তাদের কোন দাবি-দাওয়া আদায় করতে পারবে না'।
তিনি আরও বলেন, 'দেশে উন্নয়নের যে চাকা ঘুরছে, তা শ্রমজীবী মানুষের পরিশ্রমের ফসল। এজন্য শ্রমজীবীদের অসুখে-বিসুখে, বিপদ-আপদে শ্রম মন্ত্রণালয়ের শ্রমিক কল্যাণ তহবিল এবং কেন্দ্রীয় তহবিল সবসময়ই শ্রমিকদের পাশে আছে এবং থাকবে। শ্রমজীবীদের মেধাবী সন্তান, যারা লেখাপড়া করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় কর্মকর্তা হতে চায় তারা এ দুইটি তহবিল থেকে সহজেই শিক্ষা সহায়তা পাবেন'।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব উম্মুল হাছনার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য বেগম শামসুন নাহার ভুইয়া, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মশিউর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার শরিফুর রহমান প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে সারা জীবন রাজনীতির মাঠেই থাকবো: জি এম কাদের
উল্লেখ্য, এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য গঠিত কেন্দ্রীয় তহবিল হতে ১২১ জন অসুস্থ শ্রমিকের চিকিৎসা সহায়তা এবং শ্রমিকের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল হতে ৭০ জন অসুস্থ শ্রমিকের চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক এবং কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে ৩৮ জনকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৯ লাখ ৫৫ টাকার চেক এবং গার্মেন্টস শ্রমিকের সন্তানের শিক্ষা সহায়তা হিসেবে ১৩ জনের মাঝে মোট ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি

