প্রতিটি বছর এখন আগের চেয়ে বেশি ব্যস্ততা বয়ে আনছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য। মাত্র এই মাসেই শেষ হলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। এই লিগ শেষে খুব বড় বিশ্রামের সুযোগ বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা পাচ্ছেন না। কারণ গতকালই আনুষ্ঠানিক ভাবে সূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি থেকে আবার টানা ক্রিকেটের মধ্যে ঢুকে যেতে হবে ক্রিকেটারদের।
গতকাল বিসিবি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি। প্রায় দেড় মাসের এই টানা খেলা শেষ করেই বাংলাদেশকে আবার উড়াল দিতে হবে শ্রীলঙ্কায়। সেখানেও একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল।
জানুয়ারির ১০ তারিখে জিম্বাবুয়ে দলের বাংলাদেশে আসার ভেতর দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় সিরিজের আনুষ্ঠানিকতা। ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশে পৌঁছাবে শ্রীলঙ্কা দল। আর ওই দিনই বিসিবি একাদশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে একটি অনুশীলন ম্যাচ খেলবে বিকেএসপিতে।
১৫ জানুয়ারি শুরু হবে মূল ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল প্রত্যেকের বিপক্ষে ২ বার করে খেলবে লিগ পর্যায়ে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। টুর্নামেন্টের ৭টি ম্যাচই ফ্লাড লাইটের নিচে মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে খেলা। এরপর ১৯ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২৩ জানুয়ারি আবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ২৫ জানুয়ারি আবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ১৭ ও ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দুটি শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে ম্যাচ। আর ২৭ জানুয়ারি ফাইনালের ভেতর দিয়ে পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।
ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট শেষ হলেও খেলা এখানে শেষ হচ্ছে না। এরপর ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। এই সিরিজে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা দুটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে। এই একই ভেন্যুতে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। আর সিরিজের শেষ ম্যাচ, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে।
এই ম্যাচের ভেতর দিয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
ইত্তেফাক/এমআর
