সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজ সচেতনতা কার্যক্রমে মাঠে নামছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬১০ জন শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থী নিজ নিজ উপজেলা বা গ্রামে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ‘শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৃত্তি’ শিরোনামে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে ৭০৪জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করে। ২০১৭ সালে এ বৃত্তি পায় আরও ৫৩০ জন শিক্ষার্থী। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের সংগঠনটি এসব কথা জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তি পাবার শর্ত ছিল- বৃত্তিপ্রাপ্তদের ভালো মানুষ হতে হবে, শিক্ষা জীবনে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সময় তাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে সমাজ সচতেনতামূলক কার্যক্রম করা এবং বৃত্তিপ্রাপ্তরা কর্মজীবনে প্রবেশের চার বছর পর নিজেরা একজন দরিদ্র শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ বহন করবে। এই শর্তেরই অংশ হিসেবে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৬১০জন শিক্ষার্থী আগামী ২৫ ডিসেম্বর থেকে ৩০ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় দিন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংগঠনের পক্ষ হতে জানানো হয়, ‘যার যার ধর্ম তার তার কাছে, বিভেদ নয় নিজেদের মাঝে’ এবং ‘সব কাজে গর্ব আছে, নিজের কাজে দেশ বাঁচে’ এ দুইটি স্লোগানকে এবারের কার্যক্রমের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসব শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা সবার সামনে তুলে ধরতে ঢাবি টিএসসি অডিটোরিয়ামে।
ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অর্থ কমিটির আহবায়ক আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ জানান, ‘প্রতিটি শিক্ষার্থী ১৬০টি দলে ভাগ হয়ে দেশের আটটি বিভাগের ৬০টি জেলায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ এলাকার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এবং গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা করবে। তারা রাজধানীতে ফিরে এসে সেসব কার্যক্রমের প্রতিবেদন তাদেরকে দিবে।
সংগঠনটির মহাসচিব রঞ্জন কর্মকার বলেন, সমাজ উন্নয়নে এবং সচেতনতার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দায়বদ্ধতা অনুভব করে। সেই দায় থেকেই এমন উদ্যোগ।
ইত্তেফাক/এমআই
