জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে আওয়ামী পন্থীদের প্যানেল।
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবীর ও কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ ২৫টি আসেনর মধ্যে ১৮টিতে জয় লাভ করেছে। অন্যদিকে বিএনপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের জাতীয়তাবাদী প্যানেল পেয়েছে মাত্র ছয়টি আসন। এ ছাড়া আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের আরেকটি প্যানেল ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ’থেকে নির্বাচিত হয়েছেন একজন।
রবিবার নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক নির্বাচনের এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচিতরা হলেন- ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’থেকে এইচ মাহিদ উদ্দিন, মো. কায়কোবাদ হোসাইন, শরীফ এনামুল কবীর, ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীর, মো. সোহেল পারভেজ, আশীষ কুমার মজুমদার, শামীমা সুলতানা, কৃষ্ণা গায়েন, পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা, মহব্বত হোসেন খান, শেখ মনোয়ার হোসেন, মো. মোতাহার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ , মোহাম্মদ মেহেদী জামিল, মো. এবায়দুল্লাহ তালুকদার, ইন্দুপ্রভা দাস, মো. মাসুদুর রহমান এবং মো. আনোয়ার হোসেন মৃধা।
বিএনপিপন্থী প্যানেল থেকে ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, শামীমা সুলতানা, মো. শামসুল আলম সেলিম, সাবিনা ইয়াসমিন, ড. মো. নজরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থীদের অপর প্যানেল ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ’থেকে অধ্যাপক মো. আবদুল মান্নান চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে শনিবার সকাল ৯টায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। ২৫টি আসনের বিপরীতে ১১৯ জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ইত্তেফাক/ইউবি
