অ্যানোয়াল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড পেলেন শিক্ষক শামসুদ্দোহা মণি

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ২১:১১
আই-প্রোক্লেইম অ্যানোয়াল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ পেলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শামসুদ্দোহা মণি। তরুণ গবেষক হিসেবে সমাজ বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগে অবদান রাখায় তাকে এই সম্মাননা দেয় মালয়েশিয়ার ওই গবেষণা সংস্থা। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুরের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অডিটোরিয়ামে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
 
মো. শামসুদ্দোহা ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস এর অধীনে বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ে শিক্ষকতা করেন। উক্ত বিষয়ের অংশ হিসেবে তিনি বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ইতিহাস, ঔপনিবেশিক ইতিহাস, বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ে পাঠদান করে থাকেন। 
 
বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ে পড়ানোর অভিজ্ঞতা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরাই তাঁর মূল লক্ষ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, সততা ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সঠিকভাবে জাগিয়ে তুলতে পারি তবেই আমাদের দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। কারণ, আমি মনে করি, একজন উচ্চ পদস্থ অসৎ কর্মকর্তার চাইতে সৎ ও দায়ীত্ববান তরুণ সমাজ বাংলাদেশের জন্য বেশি দরকার। তাই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সততা ও দেশপ্রেমের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করতে হবে।’
IMG0
মো. শামসুদ্দোহা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ""River and Society of Bangladesh: An Analysis from Environmental and Historical Perspective" (২০১৪) বিষয়ে পিএইচডি গবেষক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর এই গবেষণার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ইতিহাস ও উন্নয়নে নদী ও পরিবেশের প্রভাব তুলে ধরার প্রয়াস চালাচ্ছেন। 
 
তাঁর গবেষণার অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বৌদ্ধ ধর্ম ও স্থাপত্য, বাংলাদেশের ইতিহাস, পরিবেশের ইতিহাস, ঔপনিবেশিক শাসন, বাংলাদেশের আদিবাসী সমাজ। তার প্রকাশিতব্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘রামুর বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও বিহার স্থাপত্য’ এবং ‘বাংলাদেশ স্টাডিজ’। 
 
ইত্তেফাক/এমআই