আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাব জয় করেছেন লিভারপুলের তারকা ফরোয়ার্ড মিশরের মোহাম্মদ সালাহ। ১৯৮৩ সালে মাহমুদ আল খতিবের পরে প্রথম কোন মিশরীয় খেলোয়াড় হিসেবে সালাহ এই পুরস্কার অর্জন করলেন।
গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজারে রোমা ছেড়ে লিভারপুলে যোগ দেয়ার পর ২৫ বছর বয়সী সালাহ এবারের মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ২৯ ম্যাচে করেছেন ২৩ গোল। শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, তার অনবদ্য নৈপুণ্যে মিশর আফ্রিকান নেশন্স কাপে রানার্স-আপ হবার পাশাপাশি ১৯৯০ সালের পরে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পায়।
IMG0
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে কঙ্গোকে স্টপেজ টাইমে পরাজিত করে রাশিয়ার টিকিট পাওয়া মিশরের পক্ষে পেনাল্টিতে গোলটি করেছিলেন সালাহ। লিভারপুলে খেলা সেনেগালের সাদিও মানে ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে গ্যাবনীজ স্ট্রাইকার পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াং এই তালিকায় যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান পেয়েছেন। মিশরের কোচ হেক্টর কোপার হয়েছেন আফ্রিকার বর্ষসেরা কোচ। জাতীয় দলের কোচ, কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ)-এর কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সমর্থকদের ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়।
পুরস্কার গ্রহণ করে সালাহ বলেছেন, ‘এটা স্বপ্ন সত্যি হবার মতই ঘটনা। ২০১৭ সালটা আমার জন্য অবিশ্বাস্য ছিল। জাতীয় দলের হয়েও আমি দারুণ সময় কাটিয়েছি। এটা আমার ক্যারিয়ারে বিশেষ একটি মুহূর্ত। পুরস্কারটা আমি আফ্রিকা ও মিশরের সব শিশুদের জন্য উৎস্বর্গ করতে চাই। আমি তাদের একটা কথাই বলতে চাই, কখনো স্বপ্ন দেখা বন্ধ করো না, নিজের উপর বিশ্বাস হারাবে না।’
IMG1
২০১৭ সালের দুর্দান্ত পারফরমেন্সের কারণে সালাহ এই নিয়ে তিনটি পুরস্কার অর্জন করলেন। এর আগে ডিসেম্বরে বিবিসি আফ্রিকান বর্ষসেরা ফুটবলার ও চলতি সপ্তাহে সালাহ পেয়েছেন আরব বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
ইত্তেফাক/কেআই
