মধুখালী উপজেলার মোট ৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭টিতে প্রধান শিক্ষক ও ২৬টিতে সহকারী শিক্ষক পদ দীর্ঘদিন যাবত্ শূন্য রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি ও ট্রেনিংয়ে রয়েছেন আরও ২৭জন শিক্ষক।
এসব ছুটি এবং শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ ও পদোন্নতি না থাকায় অনেক শিক্ষক বদলি এবং অবসরে চলে যাওয়ায় ৪৩টি পদ শূন্য হয়। যে কারণে এবছর উপজেলাতে সমাপনীতে ৮৩% শিক্ষার্থী পাস করেছে। ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় কম। এছাড়া কিছু বড় বড় স্কুলের শিক্ষকরা প্রাইভেট বাণিজ্যেও ক্লাস না নেওয়ার কারণে এ বছর সমাপনীতে ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে বেশিরভাগ অভিভাবকরা দাবি করেন।
পাঁচকোড়কদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মশিউর রহমান বলেন, তার স্কুলে ১৭২ জন ছাত্র-ছাত্রী। পদসংখ্যা ৬টি কিন্তু বর্তমানে শিক্ষক রয়েছে ৩ জন যা পাঠদানে সংকট সৃষ্টি করছে। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের পদ প্রায় ২ বছর শূন্য রয়েছে। কলইকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকুমার সিকদার বলেন, স্কুলের ৪টি পদের বিপরীতে রয়েছে ৩ জন। একজন ট্রেনিংয়ে রয়েছে।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিকূলে থাকায় এবং অনেক শিক্ষক কয়েকটি স্কুলে যেতে অনিহা প্রকাশ করায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া অনেকে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী স্কুলে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ বরেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, নিয়োগ ও পদোন্নতি না থাকায় অনেক শিক্ষক বদলি ও অবসরে চলে যাওয়ার ফলে প্রায় ২ বছরের অধিক সময় ধরে কিছু পদ শূন্য হয়েছে। যার কারণে চলতি বছর সমাপনী পরীক্ষায় এর প্রভাব পড়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু
