খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধ, অচল ৯ উপজেলা

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:৪৭
 
খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) দ্বিতীয় দিনের মতো আজ রবিবারও সড়ক অবরোধ করেছে। এতে খাগড়াছড়ি জেলা শহরসহ ৯টি উপজেলা অচল হয়ে পড়েছে।
 
জানা যায়, ইউপিডিএফ'র খাগড়াছড়ি জেলা ইউনিটের সংগঠক ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মিঠুন চাকমার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি ও গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর পুলিশি হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে সংগঠনটি এ সড়ক অবরোধ করছে। এদিকে টানা দুই দিনের সড়ক অবরোধের ফলে পুরো পাশাপাশি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে কয়েকশ' পর্যটক আটকে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
 
অবরোধের দ্বিতীয় দিনে আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার নাগাদ শহরের দক্ষিণ খবংপুড়িয়া ফায়ার ব্রিগেড অফিস এলাকায় গতকালের মতো পুলিশের সাথে পিকেটারদের আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়কের পেরাছড়া ধর্মপুর এলাকায় দুইটি যাত্রীবাহী টমটমে ভাংচুর ও আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
 
জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলার ইত্তেফাক সংবাদদাতা জানান, দ্বিতীয় দিনের সড়ক অবরোধ চলাকালে লক্ষ্মীছড়ি-মানিকছড়ি সড়কের মংলাপাড়া এলাকায় পিকেটাররা পাকা রাস্তা খুঁড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যোগাযোগ পুনস্থাপনের ব্যবস্থা করে। অবরোধের কারণে অভ্যন্তরীণ ও দূর পাল্লার সড়কে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় নিরাপত্তাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। গত শনিবার ইউপিডিএফ'র সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ চলাকালে জেলা শহরে পুলিশের সাথে পিকেটারদের সংঘর্ষ, জেলার বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে আগুনসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে।
 
প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের স্লুইস গেট এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউপিডিএফ'র কেন্দ্রীয় নেতা মিঠুন চাকমা খুন হয়।
 
ইত্তেফাক/জামান