দুর্ভোগের আরেক নাম বনগাঁও-আহমদনগর রাস্তা

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:০২
 
ঝিনাইগাতীতে দুর্ভোগের আরেক নাম বনগাঁও-আহমদনগর রাস্তা। উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও বাজার থেকে চতল গ্রাম হয়ে সদর ইউনিয়নের আহমনগর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা। 
 
জানা যায়, জিগাতলা, বনগাঁও, সুড়িহারা, হাতিবান্দা, রামনগর, চতল, আহমনগর, দিঘীরপাড়, হলদিবাটা ও মাটিয়াপাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকে এ রাস্তায়। এখানে রয়েছে একটি কলেজ, দুইটি উচ্চ বিদ্যালয়, দুইটি দাখিল মাদ্রাসা ও ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছরেও এ রাস্তাটি সংস্কার, সম্প্রসারণ কিম্বা পাকাকরণ করা হয়নি। এ রাস্তায় প্রতিদিন শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সের ও শ্রেণি-পেশার শতশত মানুষের যাতায়াত হয়। 
 
গ্রামবাসীরা জানান, এ রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে যানবাহন তো দূরের কথা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের। ৫ কিলোমিটার রাস্তায় ৪ টি খাল ও একটি নদী রয়েছে। এসব স্থানে আজো নির্মিত হয়নি ব্রিজ কালভার্ট। দীর্ঘদিন আগে দুইটি ভাঙা অংশে কাঠের সেতু ও একটিতে বাঁশের সাকো নির্মাণ করা হলেও তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ পথের ভাঙা অংশে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে মাটি ভরাটের অভাবে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। জরাজীর্ণ এসব বাশেঁর সাকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে শিশু-কিশোরসহ পথচারীরা। রাস্তার বেহাল দশার কারণে কৃষকরা উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে পারছে না। রাস্তাটি ১০ গ্রামের মানুষের সীমাহীন কষ্ট আর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
 
উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা রাস্তাটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। 
 
ইত্তেফাক/কেকে