ওসমানীনগরে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২৫

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:৩১
 
ওসমানীনগরে সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়কসহ কমপক্ষে ২৫জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৫-৭ রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে। 
 
জানা গেছে, সোমবার দুপুরের দিকে তাজপুর ডিগ্রি কলেজের ভেতরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক চঞ্চল পালের অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মী হাম্মাদ আল হাসান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়ার অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মী মঞ্জুর আহমদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথাকাটির এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মারমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 
 
আহতরা হলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক চঞ্চল পাল, ছাত্রলীগের সুজন আহমদ, হাম্মাদ আল হাসান, সুজিত, মঞ্জুর আহমদ, টিপু আহমদ, সেবুল আহমদ, নাজিম আহমদ, কাওছার আহমদ, টিপন আহমদ, রাসেল, পিংকু, রামুসহ ২৫জন। 
 
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক চঞ্চল পাল বলেন, আমি বিশ্বনাথে একটি সালিশ বৈঠক ছিলাম। সেখান থেকে তাজপুর বাজারে এসে দেখতে পাই যুবলীগের আনা মিয়া ও আওয়ামী লীগের আব্দাল মিয়ার সমর্থকরা ছাত্রদল-শিবির কর্মীদের নিয়ে আমার ছাত্রলীগের কর্মীদেরকে আক্রমণ করেছে। এসময় আমি উভয় পক্ষের ছেলেদের শান্ত থাকার আহ্বান জানালে আবদাল ও আনা অনুসারীরা আমার ওপর আক্রমণ করে। এতে আমিসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হই। 
 
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়া বলেন, চঞ্চল পালসহ তার সমর্থকরা সুষ্ঠু রাজনৈতিকে ঘোলাটে করতে কিছু দিন পর-পরই এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে। 
আমি অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে থাকায় সংঘর্ষের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানতে পারিনি। আমি শুনেছি চঞ্চল পালের অনুসারীরা ছাত্রলীগের ছেলেদের ওপর অতর্কিত হামলা করে তাদেরকে আহত করেছে। 
 
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দাল মিয়া বলেন, আমি এলাকায় ছিলাম না। আমি যতটুকু শুনেছি কলেজের ভেতরে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে বিকেলে তাজপুর বাজারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 
 
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সহিদ উল্যা সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা  নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৫-৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে।পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি