ডেফলাই-বাকাকুড়া রাস্তা আজো পাকা হয়নি, দুর্ভোগ চরমে

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৮, ০১:৩৭

ঝিনাইগাতী উপজেলার ডেফলাই থেকে বাকাকুড়া রাস্তা আজও পাকা করা হয়নি। সংস্কার, সম্প্রসারণ ও পাকাকরণের অভাবে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে এ পথে যাতায়াতকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দক্ষিণ ডেফলাই জগদিস মাস্টারের বাড়ি থেকে গান্ধিগাঁও রিক্সার গ্যারেজ হয়ে বর্ডার রোডের দরবেশতলা ও বাকাকুড়া বাজার পর্যন্ত সাত কি.মি রাস্তা। দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছরেও তা পাকাকরণ হয়নি।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি উঠেছে বহুবার। প্রতিদিন এ পথে শত শত পথচারী যাতায়াত করেন। সরু ও খানা-খন্দকে ভরা এ পথে যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচলও কষ্টকর হয়ে পড়ে। এরপরও ঝুঁকি নিয়ে দুই একটি রিকশা, অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা যায়। এ পথে একটি নদী ও দুটি ভাঙা অংশ রয়েছে। ভাঙা অংশ দুটিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন ১৯৯০ সালে দুটি ব্রিজ নির্মাণ  করে দিয়ে কোনো রকমে যাতায়াত ব্যবস্থা চালু করে দিলেও নদীর উপর আজও কোনো ব্রিজ নির্মাণ হয়নি।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের দেওয়া ব্রিজ দুটিও পাঁচ বছর আগে বিধ্বস্ত হয়ে প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গত বছর একটি ভাঙা অংশে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। অপর ভাঙা ব্রিজের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন পথচারীরা। বর্ষা মৌসুমে কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে বালু ও খানা-খন্দকের কারণে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এ সময় কোমলমতি শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে পথচারীদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষকদের উত্পাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, রাস্তাটি নির্মাণের নাম করে প্রায় প্রতিবছরই সরকারি অর্থ হরিলুট হয়।

কাংশা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ জহুরুল হক রাস্তার বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাটি পাকাকরণের বিষয়ে বিভিন্ন সময় উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। তাতে কোনো কাজ হয়নি।

ইত্তেফাক/নূহু