ঢাকা শহরে যত্রতত্র ভিক্ষুক। হরহামেশায় শিশু চুরি হচ্ছে, তারা কোথায় যাচ্ছে! কী তাদের ভবিষ্যৎ! এমনই সামাজিক সমস্যাকে সামনে তুলে আনতে শুরু হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গল্পটা মানহার’।
সন্তানকে যথাযথভাবে মানুষ করতে বাবা-মা দু’জনের সমান উপস্থিতি দরকার। বাড়ির ছোট মেয়েটি হারিয়ে গেলে বাবা-মা বা অভিভাবকের কী অনুভূতি এবং পরিবারে কী দুর্দশা নেমে আসে এমনই গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গল্পটা মানহার’।
সমাজের বৃহৎ শ্রেণির মানুষদের মাঝে এখনো ছোট শিশুদের নিয়ে সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি অনুপস্থিত। শিশু সন্তান বিষয়ক সচেতনতার বিষয়বস্তুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে চিত্রায়িত হয়েছে। দৃশ্যধারণ হয়েছে ঢাকা শহরের কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বেইলী রোডের ওভার ব্রিজ, খিলগাঁওয়ের একটা পুরাতন ভবনে, গোলাপ বাগেরএকটা ফ্ল্যাটে ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে।
ব্যাঙ নিবেদিত, সৈকত ইসলাম’র চিত্রনাট্য ও সংলাপে, স্বপ্নবাজ’র ব্যানারে সিজাত’র পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে ‘গল্পটা মানহা’র’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গল্পটা মানহা’র’ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, হাবিব জাকারিয়া, মানহা, সৈকত ইসলাম, হাসান মাহমুদ, বাবু ও হাসিনুর। সিনেমাটোগ্রাফিতে স্বরূপ চন্দ্র দে, এডিটিং শেখ সাদি ও কালার গ্রেডিং এ এফ আর আবির। প্রযোজনায় সুহৃদ মডেল ফেয়ার।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি ইউটিউব চ্যানেল স্বপ্নবাজ এ ১৯ জানুয়ারি মুক্তি দেয়া হবে।
ইত্তেফাক/আনিসুর
