ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন: আগাম প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:৪১
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা আগাম প্রচারণা চালালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম। ইতোমধ্যে যারা নির্বাচনী পোস্টার ও ব্যানার টানিয়েছেন তা নিজ খরচে নামিয়ে ফেলতে এবং প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারণা না চালাতে অনুরোধও জানান তিনি। 
 
বুধবার আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা এসব কথা বলেন। তবে নির্বাচনী সামগ্রী থাকার দায়ে এখন পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।
 
ইসি সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির আচরণ বিধি প্রতিপালন মনিটরিংয়ে ১৮জন মেজিস্ট্রেট নিয়োগ অনুমোদন করেছে কমিশন। দু’একদিনের মধ্যে মেজিস্ট্রেটদের মাঠে নামার কথা রয়েছে। আচরণ বিধি লংঘনের দায়ে মোবাইল কোর্ট যেকোনো ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে। আর কোনো রাজনৈতিক দল বা সংস্থা আচরণ বিধি লংঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
 
ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গে মো. আবুল কাশেম আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদন করতে আইন ও বিধি অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে। দু’ একদিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে নামবেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনুরোধ করবো, নিজ খরচে নিজ উদ্যোগে নির্বাচন প্রচার সামগ্রী অপসারণ করবেন। কোথাও আগাম প্রচার সামগ্রী থাকলে এবং তা নজরে আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
দু’ একজন প্রার্থীর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রচারণার চালানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতীক বরাদ্দের আগে কেউ প্রচার চালাতে পারবেন না। আমার অনুরোধ, এখন যারা প্রচার চালাচ্ছেন তারা যেন বিরত থাকেন। তা না হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ আচরণ বিধি লংঘন করছে কী না তা মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান রিটার্নিং কর্মকর্তারা। 
 
সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে, কোন প্রার্থী বা তার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোন ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন না। 
 
এদিকে ইসির বেঁধে দেয়া নির্ধারিত সময় পার হলেও অনেক স্থানে প্রচারণ সামগ্রী রয়েছে- এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম বলেন, মাত্র তফসিল ঘোষণা হল। অনেক জায়গায় আগাম প্রচার সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছে; কোথাও কোথাও  রয়ে গেছে। এ বিষয়গুলো কমিশনের নজরে আনা হবে। নির্বাহী হামিত মাঠে নামলেই তারা আইন-বিধি মেনে ব্যবস্থা নেবে। প্রসঙ্গত: আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র ও ঢাকার দুই সিটিতে যুক্ত হওয়া কাউন্সিলর পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
 
ইত্তেফাক/এমআই