ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও ইউনিয়নের নেতাই নদীর উপর একটি পাকা সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের সাঁকো ও নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০টি গ্রামের মানুষের পাড়ি দিতে হচ্ছে।
ভারতের মেঘালয় থেকে আসা উপজেলার ঘোষগাঁও বাজারের পূর্ব-উত্তর দিকে প্রবাহিত এই খরস্রোতা নেতাই নদী। এই নদীর উপর প্রায় ৪ শত ফুট লম্বা ও ৬ ফুট প্রশস্ত বাঁশের বিশাল সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ২০ গ্রামের হাজার হাজার সাধারণ জনগণ, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী চলাচল করছে। এলাকাবাসী জানান, শুষ্ক মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে এলাকার লোকজন, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষার সময় খরস্রোতা নেতাই নদী নৌকা দিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকেই নৌকা ডুবে আহত হয়। ঘোষগাঁও ও দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী, কড়ইগরা, রামসিংহপুর, কাশিপুর, বাকপাড়া, ঘিলাগড়া, ছোট মুন্সীপাড়া, রানীপুর, বলভপুর, নয়াপাড়া, ঘোষগাঁও ভালুকা পাড়াসহ ২০টি গ্রামের হাজার হাজার লোকজন ও শত শত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এই ঘাট পাড়ি দিয়ে চলাচল করছে।
দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ নেতাই নদীতে ব্রিজের দাবি জানালেও কোনো ব্যবস্থা হচ্ছে না, তাই আমি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে ধোবাউড়া এলজিইডি বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী শাহনূর ফেরদৌস জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি নির্মাণে প্রস্তাব পাঠানোর পর অনুমোদন হয়েছে। তিনি জানান, একনেকের সভায় অনুমোদন হয়েছে, খুব দ্রুত একটি যৌথ টিম এসে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিলেই টেন্ডার হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
